কেন মাইক্রোটিক এত জনপ্রিয়? - CSLiT | Connecting Technology

কেন মাইক্রোটিক এত জনপ্রিয়?

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর সাথে যারা জড়িত তারা সবাই মাইক্রোটিক এর নাম শুনছেন নিশ্চই! কিন্তু কেউ কি জানেন মাইক্রোটিক কী?

মাইক্রোটিক হল একটি ব্র্যান্ডের নাম। এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যা ১৯৯৫ সালে রাশিয়ার লাটভিয়া শহরে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। তাদের প্রধান পণ্য হচ্ছে লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম যা মাইক্রোটিক রাউটারওস হিসেবে পরিচিত। এছাড়া তারা তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি ও রাউটার বিক্রয় করে থাকে। মাইক্রোটিক লিমিটেড কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করার মূল উদ্দেশ্য ছিল তারবিহীন প্রযুক্তির উঠতি বাজারে নিজেদের পণ্য বিক্রি করা। ২০০৪ সালে কম খরচে ভালো ইন্টারনেট অবকাঠামো তৈরির জন্য একটি প্রকল্প শুরু হয়। বেশি সুবিধা, কম দাম, অন্যান্য পণ্যের তুলনায় ভালো ইউজার ইন্টারফেস এবং প্রচুর ব্যবহারকারী ইত্যাদি কথা বিবেচনা করে মাইক্রোটিক রাউটার এবং অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন করা হয়।

বর্তমানে আমরা বাজারে বহুল ব্যবহৃত যে মাইক্রোটিক রাউটার দেখতে পাই তা মাইক্রোটিক লিমিটেড কোম্পানির তৈরি করা। কম দামে ভালো ব্যান্ডউইডথ কন্ট্রোলার হওয়ায় এটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আপনি যদি নেটওয়ার্কিং-এ ক্যারিয়ার গড়তে চান তবে আপনার উচিত হবে প্রথমে মাইক্রোটিক শিখে নেওয়া। কারণ নেটওয়ার্কে যে ডিভাইস গুলো ব্যাবহার হয় তার মধ্যে মাইক্রোটিক তুলনামূলক ভাবে সহজ। আপনি যখন চাকরিতে প্রবেশ করবেন আপনাকে কখনই সিসকো কিংবা জুনিপার রাউটার ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না কারণ এগুলো কোর নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা হয়। খরচ কম হওয়ায় মাইক্রোটিক রাউটার সব কম্পানিই ব্যবহার করে। তাই আপনাকে মাইক্রোটিক রাউটারে কাজ করতে দেওয়া হবে। গ্রাফিক্যালভাবে কাজ করতে পারা যায় বলে এটি অনেক সহজ। মাইক্রোটিক রাউটার দিয়ে সাধারন রাউটার এর সব কাজের পাশাপাশি এর বেশ কিছু ফিচার এর কারনে এটি দিয়ে নেটওয়ার্ক Administration এর কাজও করা যায়। Mikrotik Router এর উল্লেখযোগ্য কিছু ফিচার সমূহঃ

১. DHCP Server হিসেবে কনফিগার করা যায়।

২। নেটওয়ার্ক এর সবগুলো IP এর Bandwidth Control করা যায়। এছাড়াও Mail Bandwidth, Ping bandwidth, Voice Bandwidth ইত্যাদি করা যায়।

৩। বিভিন্ন ওয়েব সাইট ব্লক করার জন্য Web proxy হিসেবে কনফিগার করা যায়।

৪। একসাথে একের অধিক ISP এর ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাবহার করার জন্য Load Balance/Bandwidth Marge করা যায়।

৫। একই ISP এর একের অধিক Connection এর মধ্যে Auto Redundancy করা যায়।

৬। PPPOE Server এবং PPPOE Client হিসেবে Configure করা যায়।

৭। নির্দিষ্ট কিছু মডেলে USB wimax modem, USB mobile modem এর ইন্টারনেট সার্ভিস পাওয়া যায়।

৮। VPN Server এবং VPN Client হিসেবে Configure করা যায়।

৯। Advance firewall configure করা যায়।

১০। Hotspot configuration করা যায়।

Share This:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *